বিয়ানীবাজার থানার ওসি ও এস আইর বিরুদ্ধে ফেইস বুকে অপপ্রচার: ওসির বক্ত্যব

শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২০ | ১০:৪৫ অপরাহ্ণ

বিয়ানীবাজার থানার ওসি ও এস আইর বিরুদ্ধে ফেইস বুকে অপপ্রচার: ওসির বক্ত্যব

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে সিলেটের বিয়ানীবাজার থানার ওসি অবনী শংকর কর ও এস আই সুরঞ্জিত দাসের বিরুদ্ধে মিথ্যা বানোয়াট সংবাদ ও গুজব ছড়ানো হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

গত (২৮জুলাই) বিয়ানীবাজারে জনতা ও পুলিশের হাতে ৫ গরুচোর গ্রেফতার ও গরু উদ্ধারের ঘটনায় গরুর মালিকের কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন বলে গত (২৯জুলাই) Ahmed mustaque নামে একটি ফেসবুক আইডি থেকে “বিয়ানীবাজারে গরু চুরি এবং অবনী শংকর, এসআই সুরঞ্জিতদের রমরমা ব্যবসা’’ শিরনামে প্রচার করা হয়। যা মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায়।যা পুলিশ ডিপার্টমেন্টকে সামাজিকভাবে বিতর্কিত করে মান খুন্ন করা হচ্ছে। পুলিশের চলমান মানবিক কার্যক্রমকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে একটি কুচক্রী মহল এসব অপপ্রচার চালাচ্ছে,বলে জানালেন থানার ওসি ও এস আই।



গতকাল বৃহস্পতিবার(৩০ জুলাই) বিয়ানীবাজার থানার ওসি অবনী শংকর কর ও এস আই সুরঞ্জিত দাস এ তথ্য জানান ও পুরো ঘটনার ব্যাখ্যা দেন।

 

ওসি অবনী শংকর জানান, গত ২৮ জুলাই বিয়ানীবাজারে পাতন এলাকায় জনতার হাতে চার গরুচোর ধরা পড়ে। খবর পেয়ে থানার এস আই সুরঞ্জিত দাস সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করে একটি ষাঁড় গরু সহ একটি গাড়ী থানায় নিয়ে আসেন। চোরদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ পৌরসভার নিদনপুর এলাকার মৃত শফিক উদ্দিনের বাড়ির কেয়ারটেকার কালা মিয়ার হেফাজত হইতে আরও ৪টি গরু উদ্ধার করে।এসময় কালা মিয়া পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়। উদ্ধারকৃত ৫টি গরুর মধ্যে পাতন এলাকার মিনহাজ হোসেনের একটি ষাঁড় ও বড়লেখা থানার গল্লাসাঙ্গন এলাকার আলতাফ হোসেনের একটি গাভী ছিল। অপর গরুর মালিক তখন পাওয়া যায়নি।পরে বাকি তিনটি গরুর পরিচয় শনাক্ত করতে পুলিশকে সহযোগিতা করার জন্য আহবান জানানো হয়।

পরে আলতাফ হোসেন বড়লেখা থানায় গরু চুরির মামলা দায়ের করলে মামলার আইয় এস আই ইয়াকুব হোসেন বিয়ানীবাজার থানা থেকে গাভীটি বড়লেখা থানায় নিয়ে যান এবং কানাইঘাট থানার এস আই সবুজ কুমার নাইডু দুটি গরু নিয়ে যান। অপর দুটি গরুর মধ্যে পাতনের মিনহাজ হোসেন গরু চুরি মামলা দায়ের করে নিজ জিম্মায় ষাঁড়টি নিয়ে যান এবং বড়লেখা থানার মোহাম্মদ নগর এলাকার ইমাম উদ্দিনের একটি গরুর ও তার পরিচয় শনাক্ত করে থানা থেকে গরুটির নিয়ে যান।

কিন্তু গত (২৯ জুলাই) Ahmed mustaque নামে একটি ফেসবুক আইডি থেকে “বিয়ানীবাজারে গরু চুরি এবং অবনী শংকর,এসআই সুরঞ্জিতদের রমরমা ব্যবসা! শিরোনামে অপপ্রচার করাহয়। থানা থেকে থানায় মামলার মাধ্যমে গরুগুলো হস্তান্তর করা হল। টাকা পয়সার লেনদেন কার সাথে করা হল।এনিয়ে পুলিশ হতভম্ব।

 

চুর,গরু ও গাড়িটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে এসে ভিবিন্ন জনের গরু থাকায় আইনি প্রক্রিয়া করতে গিয়ে কিছুটা সময় লেগেযায় যা Ahmed mustaque নামে ফেসবুক আইডি থেকে“হয়রানি করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন। তিনি আইনের প্রতি অবজ্ঞা করলেন।

এমন মিথ্যা বানোয়াট তথ্য কিংবা গুজব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে
কি ভাবে ছড়ানো হল। যা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।এছাড়া,পুরু পুলিশ ডিপার্টমেন্টকে সামাজিকভাবে বিতর্কিত করে মান খুন্ন হচ্ছে। যা পুলিশের চলমান মানবিক কার্যক্রমকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে একটি কুচক্রী মহল এসব অপপ্রচার চালাচ্ছে।

বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তিপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য।

Development by: webnewsdesign.com