পটুয়াখালীর বাউফলে সংঘর্ষে যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতা জখম

শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২০ | ১০:৪০ অপরাহ্ণ

পটুয়াখালীর বাউফলে সংঘর্ষে যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতা জখম

পটুয়াখালীর বাউফলে কেশবপুর ইউনিয়নের কেশবপুর বাজার এলাকায় পূর্ব বিরোধের জের ধরে সৃষ্ট সংঘর্ষে ওই ইউনিয়নের এক যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়েছে। তাকে মূমূর্ষ অবস্থায় স্পীডবোটযোগে বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এসময় অপর পক্ষেরও এক যুবলীগ নেতা এবং এক ছাত্রলীগ নেতা গুরুতর আহত হয়েছে। তাদেরকে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। আজ শুক্রবার(৩১ জুলাই) বেলা ১১ টার দিকে এঘটনা ঘটেছে।

এলাকাবাসি সূত্রে জানা গেছে, কেশবপুর ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক রফিকুল ইসলামের(৩৬) সাথে কেশবপুর ইউপির সদস্য জিয়াউদ্দিন সুজন, কেশবপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি জহিরুল হক, ওই ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের যুবলীগ সভাপতি বশির হাওলাদার এবং কেশবপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি ইব্রাহিমদের সাথে অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন ঘটনা নিয়ে দীর্ঘদিন পর্যন্ত কোন্দল চলে আসছিল। আজ রোববার বেলা ১১ টার দিকে রফিকুল ইসলাম কেশবপুর বাজারের দক্ষিণ পাশে তার রড, সিমেন্ট ও বালু বিক্রির দোকান থেকে নিজের মটর সাইকেলযোগে বাড়ি যাচ্ছিল।



 

পথি মধ্যে কেশবপুর কলেজ গেটের সামনে ইউপি সদস্য জিয়াউদ্দিন, জহিরুল হক, বশির হাওলাদার ও ইব্রাহিমসহ অন্যান্যরা ধর ধর বলে ডাক দেয়। এসময় রফিকুল ইসলাম তার মটর সাইকেল থামালে ধারালো দা দিয়ে তাকে এলোপাতারি কুপিয়ে জখম করা হয়। খবর পেয়ে রফিকুলকে বাঁচাতে এলাকাবাসিরা এগিয়ে আসলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এতে অপর পক্ষের বশির হাওলাদার ও ইব্রাহিমও জখম হয়। পরে এলাকাবাসিরা গুরুতর জখম অবস্থায় রফিকুলকে উদ্ধার করে স্পীডবোটযোগে বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠনো হয়। অপরদিকে বশির হাওলাদার ও ইব্রাহিমকে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়। সংঘর্ষের সময় কলেজের জানালা-দরজাও ভাঙচুর করা হয়েছে।

রফিকুল ইসলামের পরিবারের লোকজন জানান, রফিকুলের কাছে ৭০ হাজার টাকা ছিল। প্রতিপক্ষরা রফিকুলকে জখম করে ওই টাকা নিয়ে গেছে এবং তার মটর সাইকেলটি ভাঙচুর করেছে। কেশবপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও কেশবপুর কলেজের অধ্যক্ষ সালেহ উদ্দিন পিকু জানান, রোববার বিকেলে কলেজ মাঠে আইন শৃংখলা বিষয়ক একটি সভা হওয়ার কথা রয়েছে। জামাত বিএনপি সমর্থিতরা সভা পন্ড করার জন্য পরিকল্পিতভাবে কলেজে হামলা করে ভাঙচুর করেছে। কেশবপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ও কেশবপুর ইউপি চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট মহিউদ্দিন জানান, দেনা পাওনা নিয়ে রফিকুল ইসলামের সাথে প্রতিপক্ষের বিরোধ ছিল। সে ঘটনাকে কেন্দ্র করেই এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। কলেজের সিসি ক্যামেরা চেক করলে কলেজ ভাঙচুরের সাথে জরিতদের চিহ্নিত করা সহজ হবে।

Development by: webnewsdesign.com