কাজিপুর ইউএনও এর হস্তক্ষেপে মাথা গোঁজার ঠাই পেল শতাধিক ছিন্নমুল পরিবার।

কাজিপুর ইউএনও এর হস্তক্ষেপে মাথা গোঁজার ঠাই পেল শতাধিক ছিন্নমুল পরিবার।

একটি বিশেষ মহল নিজেদের স্বার্থে প্রকৃত সুবিধা বঞ্চিত মানুষদের বাদ দিয়ে নিজেদের আত্মীয় স্বজন ও প্রতিবেশীদের তথা যারা গুচ্ছগ্রামে ঘর বা বাড়ি পাওয়ার কথা নয় অথচ তাদেরকেই ঘরের ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন। অবশেষে অবৈধ বসবাসকারীদের উচ্ছেদ করে প্রকৃত ছিন্নমূল মানুষদের থাকার জায়গা করে দিলেন সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার নিবার্হী অফিসার জাহিদ হাসান সিদ্দিকী।

 



উল্লেখ্য যে, প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার প্রকল্পের আওতায় কাজিপুরের চরাঞ্চলের খাসরাজবাড়ী ইউনিয়নের গৃহহীন মানুষের জন্য নির্মিত হয় ৯০টি ঘর এবং তেকানী ইউনিয়নের ৮০টি ঘর। সেখানে বরাদ্দও পায় অনেকে। কিন্তু নানা অনিয়মের কারণে বরাদ্দপ্রাপ্তরা সেখানে বাস করতে পারেননি। আর যাঁরা প্রকৃত গৃহহীন তাঁরা এসব ঘরের সুবিধা পাননি। অবশেষে শনিবার কাজিপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাহিদ হাসান সিদ্দিকী সরেজমিনে খাসরাজবাড়ী ও তেকানী আশ্রয়ণ প্রকল্পে যান।

 

এ সময় আগে বরাদ্দপ্রাপ্তদের অনেককেই তিনি ঘরে পাননি। পরে তাঁদের বাদ দিয়ে উপস্থিত লোকজনের সাথে কথা বলে গ্রাম্য পুলিশদের মাধ্যমে মাইকিং করে ইসলামী ফাউন্ডেশন কর্তৃক মসজিদ ভিত্তিক শিক্ষক ও ইমামদের সহায়তায় এলাকার সুবিধাবঞ্চিত ছিন্নমুল মানুষদের মাঝে এসব ঘর বরাদ্দ দেন। ঘর পেল ছিন্নমূল খাসরাজবাড়ি ইউনিয়নের ৬০টি পরিবার এবং তেকানী ইউনিয়নের ৬০টি পরিবার। ২৭ জুন শনিবার তারা আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় নির্মিত ঘরে উঠেছে। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আলহাজ্ব শাহ আলম মোল্লা। উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগটিকে এলাকাবাসী সাধুবাদ জানিয়েছে এবং ইতিবাচকভাবে দেখছে।

Development by: webnewsdesign.com